Showing posts with label HS 2019 suggestions. Show all posts
Showing posts with label HS 2019 suggestions. Show all posts

Monday, 3 September 2018

HS 2019 PHILOSOPHY SUGGESTION / উচ্চমাধ্যমিক দর্শন সাজেসান

বচনের পরিবর্তনের নিয়ম
                     বচনের_নিয়ম
বাক্য_চেনার_নিয়ম
✒✒সকল,হয়=A বচন(সম্পূর্ণ স্বীকার)
✒✒কোন,নয়=E বচন(সম্পূর্ণ অস্বীকার)
✒✒কোনো কোনো,হয়=I বচন(আংশিক      স্বীকার)
✒✒কোনো কোনো,নয়=O বচন(আংশিক অস্বীকার)
বচনের_রূপান্তরের_নিয়ম
সব, সমস্ত, প্রত্যেক, যে, সে, যদি, তবে, যেখানে-সেখানে, যেমন-তেমন, নিশ্চিত, নিশ্চিতভাবে,সদা, সর্বদা,যে কেউ এগুলি শব্দ যে বাক্যে থাকে তাকে A বচনে রূপান্তরিত করতে হয়।
                   ✒ যদি নংঅর্থক চিহ্ন থাকে তবে তাকে"o"বচনে রূপান্তরিত করতে হয়।
যে বাক্যে নয়,কেউ নয়,কাউকে নয়,নেয়,বেশি কিছু নয়,কখনো নয়,একটাও নয়,এক নয়,হতে পারেনা,একসঙ্গে প্রভৃতি শব্দ যে বাক্যে থাকে তাকে"E" বচনে রূপান্তরিত করতে হয়।
যে বাক্যে কিছু কিছু,কখনো কখনো, অল্প সংখ্যক ,অধিকাংশ ,সাধারণত,অনেক প্রভৃতি শব্দ যে বাক্যে থাকে তাকে "I"বচনে রূপান্তরিত করতে হয়।
         ✒  যদি নং অর্থক চিহ্ন থাকে তবে তাকে "O"বচনে রূপান্তরিত করতে হবে ।
যে বাকয়েক কদাচিৎ,কচিৎ, খুব কম,খুব অল্প,স্বল্প সংখ্যক তাই বললেই চলে তাকে "I" কিংবা "O" বচনে রূপান্তরিত করতে হয়।
            i)যদি হ্যাঁ থাকে তবে 'O' বচন
          ii)যদি না থাকে তবে 'I'বচন করতে হয়।
মাত্র, শুধু, শুধুমাত্র, কেবলমাত্র, একান্ত, ছাড়া, কেউ নয়, ব্যতীত, কেউ না এগুলো শব্দ যে বাক্যে থাকে তাকে "A"বচনে রূপান্তরিত করতে হয়।
  ✒ i)উদ্দেশ্য কে বিধেয় এবং বিধেয় কে উদ্দেশ্য করতে হয়।
একটি থাকলে 'I'বচন করতে হবে এবং আছে থাকলে 'I'বচন করতে হবে। যদি নির্দিষ্ট করে বলে দেওয়া হয় তবে A বচন করতে হবে।
জিজ্ঞাসা চিহ্ন থাকলে----যদি নংঅর্থক চিহ্ন থাকে তবে 'A'বচন করতে হবে তা নাহলে E বচন করতে হবে।

Monday, 27 August 2018

HS 2019 Geography Suggestion . উচ্চমাধ্যমিক ভুগোল সাজেসন

এখানকার প্রতিটি প্রশ্ন 90%-95% সিওর

উচ্চমাধ্যমিক

সবচেয়ে শর্ট ভুগোল 90%সাজেসন

100%Guaranteed

এমসিকিউ এবং এসএকিউ-এর  প্রস্তুতির জন্য গোটা বইটাই খুঁটিয়ে পড়তে হয়।

💰💰অর্থনৈতিক কার্যাবলী:💰💰

১. কোয়াটারনারি ও কুইনারি অর্থনৈতিক কার্যকলাপ— আউটসোর্সিং, থিঙ্কট্যাঙ্ক, সেবামূলক কার্যাবলীর গুরুত্ব।

🌽🌾🌿কৃষি:🌽🌾🌿

যেহেতু এই অধ্যায় থেকে একটি বড় প্রশ্ন থাকবেই, সেহেতু অধ্যায়টি খুঁটিয়ে পড়ে যাও। বিশেষ কোনও কিছুর সাজেশন করো না। এই অধ্যায় থেকে—

১. শস্যাবর্তন কৃষি, স্থানান্তর কৃষি, শস্য প্রগাঢ়তা, বাজার উদ্যান কৃষি ইত্যাদির ধারণা।
এছাড়াও
১. জীবিকাসত্ত্বাভিত্তিক ও বাণিজ্যিক কৃষির পার্থক্য।
২. মিশ্র কৃষির সুবিধা-অসুবিধা।
৩. মালয়েশিয়ার রবার চাষের উন্নতির কারণ।
৪. কৃষিতে যান্ত্রীকরণের সুবিধা।
৫. সবুজ বিপ্লবের সুবিধা-অসুবিধা।
৬. শ্রীলঙ্কায় নারকেল চাষ অধিক কেন?
৭. ক্রান্তীয় অঞ্চলে ধান চাষের ভৌগোলিক পরিবেশ।

🔨🔧🔩শিল্প:🎽🔧🔩

১. ভারতে খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নতির কারণ।
২. কানাডায় কাগজ শিল্পের উন্নতির কারণ।
৩. ওয়েবারের শিল্প স্থানিকতা তত্ত্ব।
৪. ভারতে লৌহ-ইস্পাত শিল্পের অবস্থানগত কারণ।
৫. অগস্ট ল্যাশ-এর মুনাফা সর্বাধিকীকরণের তত্ত্ব।
৬. ভারতে মোটর গাড়ি নির্মাণ শিল্পের অবস্থান ও উন্নতির কারণ।
৭. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কার্পাস বয়নশিল্পের স্থানগত পরিবর্তনের কারণ।
৮. মুম্বই আমদাবাদে কার্পাস বয়নশিল্পের একাদশীভবনের কারণ।

🚢🚂তৃতীয়স্তরের কার্যাবলী থেকে:🚢🚂

১. জলপথ পরিবহণের গুরুত্ব।
২. অর্থনৈতিক উন্নয়নে রেলপথের ভূমিকা।
৩. ভারতে পর্যটন শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা।
৪. তৃতীয় স্তরের কার্যাবলীর বৈশিষ্ট্য।
৫. মাস ট্যুরিজম, ইকোট্যুরিজম, শিপিং লাইন, শিপিংলেন— শর্ট অ্যানসার টাইপ প্রশ্নের জন্য এগুলিও দেখে যাও।

👪👪জনসংখ্যা ও জনবসতি:👪👪

১. কাম্য জনসংখ্যা ও মানুষ জমি অনুপাতের ধারণা, বৈশিষ্ট্য ও পার্থক্য।
২. উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের লিঙ্গ পিরামিডের বৈশিষ্ট্য ও পার্থক্য।
৩. কার্যাবলীর ভিত্তিতে পৌরবসতির শ্রেণিবিভাগ।
৪. ভারতে নগরায়নের সমস্যা।
৫. গ্রামীণ জনবসতির শ্রেণিবিভাগ ও গড়ে ওঠার কারণ।

এ ছাড়াও জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব, মেগাসিটি, মেট্রোপলিস, নেক্রোপলিস, পুশফুল ফ্যাক্টর ইত্যাদি বিষয়গুলি দেখে যাও।

📊📈আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন:📊📈

১. বিভিন্ন পরিকল্পনা অঞ্চলগুলির স্তরক্রম।
২. ম্যাক্রো ও মাইক্রো পরিকল্পনা।
৩. শহর ও গ্রামের পরিকল্পনার পার্থক্য।
৪. হলদিয়া শিল্পাঞ্চল গড়ে ওঠার কারণ।
৫. বেঙ্গালুরুর ইলেকট্রনিক শিল্প গড়ে ওঠার কারণ।

Sunday, 26 August 2018

HS 2019 History Suggestion

এখানকার প্রতিটি প্রশ্ন 90%-95% সিওর

উচ্চমাধ্যমিক

সবচেয়ে শর্ট ইতিহাস 90%সাজেসন

100%Guaranteed

এমসিকিউ এবং এসএকিউ-এর প্রস্তুতির জন্য গোটা বইটাই খুঁটিয়ে পড়তে হয়।



• এসএকিউ-এর জন্য নীচের প্রশ্নগুলি দেখে রাখতে পারো—

১. মৌখিক ইতিহাস কী ভাবে সংগ্রহ করা যেতে পারে?
২. কে, কবে এশিয়াটিক সোশাইটি প্রতিষ্ঠা করেন?
৩. জেমস মিলের লেখা ভারতবিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?
৪. নতুন বিশ্ব কাকে বলে?
৫. ‘সাম্রাজ্যবাদের যুগ’ কোন সময়কালকে বলা হয়?
৬. নয়া সাম্রাজ্যবাদ কী?
৭. ত্রয়োদশ উপনিবেশ কাকে বলে?
৮. দস্তক বলতে কী বোঝো?
৯. এজেন্সি ব্যবস্থা কী?
১০. অবশিল্পায়ন কী?
১১. চুঁইয়ে পড়া নীতি কী?
১২. সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা কী?
১৩. ক্যাবিনেট মিশন কেন ভারতে আসে?
১৪. দলিত কাদের বলা হতো?
১৫. সিমলা ডেপুটেশন কী?
১৬. মিরাট ষড়যন্ত্র মামলায় দু’জন অভিযুক্ত ব্রিটিশ কমিউনিস্টের নাম লেখ?
১৭. মুসলিম লিগের লাহৌর প্রস্তাব কী?
১৮. তানাকা মেমোরিয়াল কী?
১৯. রশিদ আলি দিবস কী?
২০. স্বাধীন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রি কে?
২১. তৃতীয় বিশ্ব কাকে বলে?
২২. ফিদেল কাস্ত্রো কে?
২৩. নেহেরু মলানবিশ মডেল কাকে বলে?
২৪. ন্যাটো কী?
২৫. ভারতীয়রা কেন সাইমন কমিশন বর্জন করেছিল?
২৬. জোটনিরপেক্ষ নীতি কাকে বলে?
২৭. হিলফারডিং-এর বইটির নাম কী?
২৮. দিয়েন-বিয়েন ফু-তে কী ঘটেছিল?

• ৮ নম্বরের প্রশ্নের জন্য:

১. উপকথা/পৌরাণিক কাহিনি/লোককথা/স্মৃতিকথা।
২. মার্কেন্টাইল মূলধন বলতে কী বোঝো? এই মতের মূল বক্তব্য কী?
৩. সাম্রাজ্যবাদ ও উপনিবেশের প্রসারে হবসন ও লেনিনের ব্যাখ্যা।
৪. চিনের ক্যান্টন বাণিজ্য-এর বৈশিষ্ট্য ও অবসানের কারণ।
৫. অবশিল্পায়নের কারণ ও প্রভাব।
৬. পলাশির যুদ্ধের তুলনায় বক্সারের যুদ্ধ বেশি গুরুত্বপূর্ণ কেন?
৭. সমাজ সংস্কার আন্দোলনে রামমোহন/স্বামী বিবেকানন্দ/স্যার সৈয়দ আহমেদ।
৮. ১৯১৯-এর মন্টফোর্ড আইন ও তার সমালোচনা।
৯. রাওলাট আইন ও তার প্রতিক্রিয়া।
১০. ১৯৪৬-এর নৌবিদ্রোহের কারণ ও গুরুত্ব/ মন্ত্রী মিশনের পরিকল্পনা ও ত্রুটি।
১১. সয়েজ সংকট ও তার প্রতিক্রিয়া/ তেল কূটনীতি বলতে কী বোঝো? এটি উপসাগরীয় যুদ্ধের জন্য কতটা দায়ী?
১২. স্বাধীন বাংলাদেশের উদ্ভব ও মুজিবর রহমানের ভূমিকা।
১৩. ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে আজাদ হিন্দ বাহিনীর গুরুত্ব আলোচনা করো ৷

মতামত comment
করুন নীচে

HS Political Science Sure Suggestion

উচ্চ-মাধ্যমিক 2019 রাষ্ট্রবিজ্ঞান 100% সিওর সাজেসন



99.99%



1.আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সংজ্ঞা লেখ ৷ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির পার্থক্য লেখ ৷

2.আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সংজ্ঞা লেখ ৷ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিকাশের ধারা সংক্ষেপে আলোচনা করও ৷

3.বিশ্বায়ন বলতে কি বোঝ ? বিশ্বায়নের প্রকৃতি আলোচনা করো ৷

4.উদারনীতিবাদ কাকে বলে ? উদারনীতিবাদের মূল সূত্র গুলি ব্যাখ্য করো ৷

5.গান্ধিজির রাজনৈতিক চিন্তাধারা ব্যাখ্যা করও ৷

6.গান্ধিজির সর্বোদয় ধারণাটি  ব্যাখ্যা করও ৷

7.বিচার বিভাগীয় সমীক্ষা বলতে কি বোঝ ৷ বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা কিভাবে রক্ষিত হয় তা  ব্যাখ্যা করও ৷

8.দ্বিকক্ষ ও একক্ষ বিশিষ্ট আইন সভার পক্ষে ও বিপক্ষে  যুক্তি দাও ৷

9.ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা  ও কার্যাবলী এবং পদ মর্যাদা আলোচনা করো ৷

10.অঙ্গরাজ্যের রাজ্যপালের ক্ষমতা  ও কার্যাবলী এবং পদ মর্যাদা আলোচনা করো ৷

11.ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির পক্ষে ও বিপক্ষে  যুক্তি দাও ৷

12.ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভার সম্পর্কের ব্যাখ্য করো ৷

13.ভারতের অধস্তন আদালতের ব্যাখ্য করো ৷

14.ভারতের বিচার ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলি
ব্যাখ্য করো ৷

15.ভারতের হাইকোর্টের গঠন ও কার্যাবলী ব্যাখ্য করো ৷

16.ক্রেতা আদালতের ব্যাখ্য করো ৷ ও কার্যাবলী ব্যাখ্য করো ৷






Like & share please

Please subscribe our channel
KC Education

Saturday, 25 August 2018

HS 2019 Bengali suggestions সবচেয়ে শর্ট বাংলা 90%সাজেসন

এখানকার প্রতিটি প্রশ্ন 90%-95% সিওর

উচ্চমাধ্যমিক


100%Guaranteed

এমসিকিউ এবং এসএকিউ-এর প্রস্তুতির জন্য গোটা বইটাই খুঁটিয়ে পড়তে হয়।




উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের প্রথমেই মনে রাখতে হবে, বাংলার প্রশ্নপত্র দু’টি বিভাগে বিভক্ত— ‘ক’ বিভাগে ৫০ নম্বর এবং ‘খ’ বিভাগে ৩০ নম্বর, মোট ৮০ নম্বর। ভাল ভাবে প্রস্তুতি নিলে বাংলায় ভাল নম্বর পাওয়া কোনও কঠিন বিষয় নয়।

গদ্যে বিবৃতিধর্মী প্রশ্নের জন্য ‘কে বাঁচায় কে বাঁচে!’ গল্প থেকে—

১. নিখিলের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।
২. মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ির অবস্থার পরিচয় দাও ৷
৩. ‘এ ভাবে দেশের লোককে বাঁচানো যায় না’— প্রসঙ্গ, ও বাঁচানো যায় না কেন?
4.নামকরন ৷

‘ভাত’ গল্প থেকে—

১. বাস্তবচিত্র।
২. ‘বোঝা গিয়েছিল সর্বনাশের বহর’— সর্বনাশ ও তার পরিণতি।
৩. ‘স্বর্গসুখ পায় ভাতের স্পর্শে’— অনুভূতির প্রসঙ্গ ও স্বর্গসুখের বিবরণ।
৪. বাদার পরিচয় দাও ৷
৫. উচ্ছব চরিত্র।

‘ভারতবর্ষ’ গল্প থেকে—

১. নামকরন ৷
২. পটভূমি বিস্তারে বৃদ্ধা চরিত্র।
৩. ‘আমি কী, তা দেখতে পাচ্ছিস নে’— বক্তার স্বরূপ উদ্ঘাটন।
৪. ‘কতক্ষণ সে এই মারমুখী জনতাকে...’— চৌকিদারের ভূমিকা ও জনতার মারমুখী হয়ে ওঠার কারণ।

পদ্যে বিবৃতিধর্মী প্রশ্নের জন্য ‘রূপনারানের কূলে’ কবিতা থেকে—

১. কবির আত্মোপলব্ধি ও পরম মৃত্যুর কাছে আত্মসমর্পণ।
২. ‘রূপনারানের কূলে জেগে উঠলাম’— জেগে ওঠার তাৎপর্য।
৩. ‘জানিলাম এ জগত স্বপ্ন নয়’— প্রসঙ্গ ও বিশ্লেষণ।
৪. নামকরণ।

‘মহুয়ার দেশ’ কবিতা থেকে—

১.বাস্তবচিত্র আলোচনা করো ৷
২. ‘ঝরুক মহুয়ার ফুল নামুক মহুয়ার গন্ধ’— বিশ্লেষণ।
৩. ‘ঘুমহীন তাদের চোখে’ ক্লান্ত দুঃস্বপ্ন হানা দেওয়ার তাৎপর্য।
৪. নামকরণ।

‘আমি দেখি' কবিতা থেকে—

১. 'আমি দেখি'-- কবিতায় কবির প্রকৃতির প্রতি প্রবল ব্যাকুলতা কিভাবে বর্ণিত হয়েছে তা আলোচনা করো ৷
২. '...ঐ সবুজের ভীষণ দরকার '-- 'ঐ সবুজ' বলতে কী বোঝানো হয়েছে ? তার দরকার কেন ?
৩. 'চোখতো সবুজ চায়'-- কবিতা অবলম্বনে আলোচনা করো ৷

নাটকে বিবৃতিধর্মী প্রশ্নের ক্ষেত্রে ‘বিভাব’ নাটক থেকে—

১. নাটকের অভিনবত্ব আলোচনা করো ৷
২. 'বুদ্ধিটা কি করে এল তা বলি ৷'-- বুদ্ধিটি কী ? তা কেমন করে এল ?
৩. ‘এ বার নিশ্চয়ই লোকের খুব হাসি পাবে’— মন্তব্যের তাৎপর্য।
৪.
৫. জীবনকে উপলব্ধি ও পরিণতিতে অভিজ্ঞতা।

‘নানা রঙের দিন’ নাটক থেকে—

১. নামকরণ।
২. রজনীকান্ত চরিত্রের অসহনীয় একাকিত্ব ও চরম হতাশা।


ভারতীয় গল্প ও আন্তর্জাতিক কবিতার মধ্য থেকে যে কোনও একটি প্রশ্ন করতে হবে।

‘অলৌকিক’ গল্প থেকে—

১. হাসান আব্দালের পাঞ্জাসাহেব নামে পরিচিতির কারণ।
২. মর্দানার সমস্যা ও তার সমাধান।
৩. চোখের জলটা তাদের জন্য--বক্তা কাদের জন্য চোখের জল উৎসর্গ করেছিল ? যে ঘটনার কারণে বক্তার চোখে জল আসে তা বিবরণ দাও ৷
৪. মায়ের বান্ধবী বর্ণিত ঘটনার বিবরণ ও লেখকের প্রতিক্রিয়া।

‘পড়তে জানে এমন এক মজুরের প্রশ্ন’ কবিতা থেকে—

১. ‘বইয়ে লেখে রাজার নাম’— প্রসঙ্গ ও উক্তির বিবরণ।
২. ‘বিরাট আর্মাডা যখন ডুবল’— ঐতিহাসিক ভিত্তি ও শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা।
৩. সমাজচেতনা।
৪. কবির ইতিহাসচেতনা ৷

‘আমার বাংলা’ (পূর্ণাঙ্গ সহায়ক গ্রন্থ)

গ্রন্থের গারো পাহাড়ের নীচে থেকে—

১. গারো পাহাড়ের নীচে বসবাসকারীদের জীবনযাত্রার বর্ণনা দাও ৷
২. নামকরণ।

‘কলের কলকাতা’ থেকে—

১. ‘ও, এই জন্য জেলে গিয়েছিলেন’— কার সম্পর্কে এই উক্তি ও তাঁর কারাবাসের কারণ।
২. ‘তিন মাস অসুখে অচেতন’— অসুখ-পরবর্তী কলকাতার পরিবর্তিত রূপ।
৩. মোনা ঠাকুর বর্ণিত কলকাতা ও তার দ্রুত ফেরার কারণ।
৪. লেখক কর্তৃক কলকাতার বিবরণ ও তাঁর ভাললাগা।

‘হাত বাড়াও' থেকে—

১. মূল বক্তব্য আলোচনা করো

HS 2019 Philosophy sure suggestion {(অমাধ্যম অনুমান) (Immediate Inference)} অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর। (SAQ) (মান - 1)



১) অমাধ্যম অনুমান কাকে বলে?
উঃ যে অবরোহ অনুমানে  সিদ্ধান্তটি একটিমাত্র হেতুবাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়, তাকে অমাধ্যম অনুমান বলে।

২) মাধ্যম অনুমান কাকে বলে?
উঃ যে অবরোহ অনুমানে সিদ্ধান্তটি একাধিক আশ্রয়বাক্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়, তাকে মাধ্যম অনুমান বলে।

৩) অমাধ্যম অনুমান এর একটি উদাহরণ দাও।
উঃ  (A)সকল মানুষ হয় মরনশীল জীব। (আবর্তনীয়)
   .:   (I) কোন কোন মরণশীল জীব হয় মানুষ (আবর্ত)

৪) মাধ্যম অনুমানের একটি উদাহরণ দাও।
উঃ মাধ্যম অনুমানের উদাহরণ:
          (A) সকল মানুষ হয় মরনশীল জীব।                 (A) সকল কবি হয় মানুষ।
      .:  (A) সকল কবি হয় মরণশীল জীব।

৫) অমাধ্যম এবং মাধ্যম অনুমানের মধ্যে পার্থক্য কী?
উঃ অমাধ্যম অনুমানে সিদ্ধান্তটি একটিমাত্র আশ্রয় বাক্য থেকে নিঃসৃত হয়। কিন্তু মাধ্যম অনুমানে দুই বা ততোধিক আশ্রয়বাক্য থেকে সিদ্ধান্ত নিঃসৃত হয়।

৬) মাধ্যম ও অমাধ্যম অনুমান এর একটি সাদৃশ্য লেখ।
উঃ মাধ্যম ও অমাধ্যম উভই অনুমানই অবরোহ অনুমান।

৭) আবর্তন কাকে বলে?
উঃ যে অমাধ্যম অনুমানে আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদ ন্যায়সঙ্গতভাবে যথাক্রমে সিদ্ধান্তের বিধেয় ও উদ্দেশ্য হয় এবং গুণ অপরিবর্তিত থাকে, তাকে আবর্তন বলে।

৮) আবর্তন কত প্রকার ও কী কী?
উঃ আবর্তন দুই প্রকার-- (১) সরল বা সমআবর্তন এবং (২)  অ-সরল বা সীমিত আবর্তন।

৯) সরল আবর্তন কাকে বলে?
উঃ যে আবর্তনের ক্ষেত্রে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে তাকে সরল আবর্তন বলে। E বচনের আবর্তন এবং  I বচনের আবর্তন সরল আবর্তন।

১০) অ-সরল বা অসম বা সীমিত আবর্তন কাকে বলে?
উঃ যে আবর্তনের ক্ষেত্রে আশ্রয়বাক্য এবং সিদ্ধান্তের পরিমাণ ভিন্ন হয় তাকেই অ-সরল আবর্তন বলা হয়। A বচনের আবর্তন হল অ- সরল আবর্তন।

১১) A বচনের একটি সরল আবর্তনের উদাহরণ দাও।
উঃ              (A) সকল উদ্ভিদ হয় গাছ  (আবর্তনীয়)
               .:  (A) সকল গাছ হয় উদ্ভিদ  (আবর্ত)

১২) সরল ও অ- সরল আবর্তনের একটি পার্থক্য লেখ।
উঃ সরল আবর্তনের ক্ষেত্রে আবর্তনীয় ও আবর্তিত বচনের পরিমাণ এক হয়, কিন্তু  অ-সরল আবর্তনের ক্ষেত্রে আবর্তনীয় ও আবর্তিত বচনের পরিমাণ ভিন্ন হয়।

১৩) কোন্ ক্ষেত্রে A বচনের সরল আবর্তন সম্ভব?
উঃ যেসব ক্ষেত্রে প্রদত্ত A বচনের উদ্দেশ্য পদ ও বিধেয় পদ সমব্যাপক বা সমার্থক হয়, সেই ক্ষেত্রে A বচনের সরল আবর্তন সম্ভব।

১৪) A বচনের সরল আবর্তন সম্ভব নয় কেন?
উঃ  A বচনের সরল আবর্তন করলে আবর্তনের চতুর্থ নিয়ম অর্থাৎ ব্যাপ্যতার নিয়মটি লঙ্ঘিত হয়। তাই A বচনের সরল আবর্তন সম্ভব নয়।

১৫) আবর্তনের ব্যাপ্যতার নিয়মটি কী ?
উঃ ব্যাপ্যতার নিয়মটি হল: যে পদ যুক্তিবাক্যে ব্যাপ্য হয়নি, সেই পদ সিদ্ধান্তে ব্যাপ্য হতে পারবে না।

১৬) O বচনের আবর্তিত বচন কী হবে?
উঃ O বচনের আবর্তন সম্ভব নয়।

১৭) নিষেধমূলক আবর্তন কাকে বলে?
উঃ তর্কবিদ্ কিনস আবর্তন করার জন্য এক বিশেষ পদ্ধতি অনুসারে O বচনের বিধেয়টির আগে এক নিষেধমূলক চিহৃ যোগ করে বচনটিকে I বচনে পরিণত করে, I বচনের আবর্তন করেন। একেই নিষেধমূলক আবর্তন বলে।

১৮) নিষেধমূলক আবর্তনের উদাহরণ দাও।
উঃ         ( O) কোন কোন মানুষ নয় লেখক।
              (O) কোন কোন মানুষ হয় অ-লেখক।
              (O) কোন কোন অ- লেখক হয় মানুষ।

১৯) A  বচনের আবর্তিত বচন কী হবে?
উঃ I বচন।

২০) E বচনের আবর্তিত বচন কী হবে?
উঃ E বচন।

২১) I বচনের আবর্তিত বচন কী হবে?
উঃ I বচন।

২২) আবর্তনের প্রথম নিয়মটি কী ?
উঃ আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্য পদটি সিদ্ধান্তের বিধেয় পদ হবে।

২৩) আবর্তনের দ্বিতীয় নিয়মটি কী ?
উঃ আশ্রয়বাক্যের বিধেয় পদটি সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হবে।

২৪) আবর্তনের তৃতীয় নিয়মটি কী?
উঃ আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের গুন অভিন্ন হবে। অর্থাৎ আশ্রয়বাক্য সদর্থক হলে সিদ্ধান্তও সদর্থক হবে এবং আশ্রয়বাক্য নঞথর্থক হলে সিদ্ধান্তও নঞর্থক হবে।

২৫) O বচনের আবর্তন সম্ভব নয় কেন?
উঃ O বচনের আবর্তন করলে আবর্তনের চতুর্থ নিয়ম অর্থাৎ ব্যাপ্যতার নিয়মটি লঙ্ঘিত হয়। তাই O বচনের আবর্তন সম্ভব নয়।

২৬) বিবর্তন বা ব্যবর্তন বা প্রতিবর্তন কাকে বলে?
উঃ যে অমাধ্যম অনুমানে প্রদত্ত বচনের গুণের পরিবর্তন করে এবং সেই বচনটির বিধেয়ের বিরুদ্ধ পদকে সিদ্ধান্তের বিধেয়রূপে গ্রহণ করা হয়, তাকে ব্যবর্তন বা প্রতিবর্তন বা বিবর্তন বলে।

২৭) বস্তুগত বিবর্তন কাকে বলে?
উঃ যে বিবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রদত্ত বচনের আকারগত বিবর্তন না করে তার অর্থের উপর বিশেষভাবে নির্ভর করা হয় এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সাহায্যে প্রদত্ত বচনটিকে বিবর্তিত করা হয় তাকে বস্তুগত বিবর্তন বলে।

২৮) বস্তুগত বিবর্তনের একটি উদাহরণ দাও।
উঃ বস্তুগত বিবর্তনের উদাহরণ:
           যুদ্ধ হয় অমঙ্গলসূচক।
           শান্তি  হয় মঙ্গলসূচক।

২৯) বস্তুগত বিবর্তনকে কি প্রকৃত বিবর্তন বলা যায়?
বস্তুগত বিবর্তনকে প্রকৃত বিবর্তন বলা যায় না। কারণ, বস্তুগত বিবর্তন যৌক্তিক বিবর্তনের উদ্দেশ্য পদের নিয়ম, গুনের নিয়ম, আকারগত নিয়ম মেনে চলে না।

৩০) বস্তুগত বিবর্তনের স্রষ্টা কে?
উঃ তর্কবিদ্ বেইন।

৩১) বিরুদ্ধ পদ / পরিপূরক পদ কী?
উঃ কোন পদের সকল বিপরীত পদের সমষ্টিকে বিরুদ্ধ পদ বলে। অর্থাৎ একটি পদের সবকটি বিপরীত পদকে একত্র করে তৈরি হয় ওই পদের বিরুদ্ধ পদ। যেমন-- 'গাছ' এর বিরুদ্ধ  পদ হল 'অ- গাছ'

৩২) বিপরীত পদ কাকে বলে?
উঃ কোন পদের বিপরীত অর্থ যুক্ত পদকে তার বিপরীত পদ বলে। যেমন-- সাদা পদটির বিপরীত পদ হলো কাল, লাল, সবুজ ইত্যাদি যে-কোনো সাদা ভিন্ন রং।

৩৩) "সকল মানুষ হয় বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন জীব" --- বচনটির আবর্তন কর।
উঃ  L.F. :
(A)সকল মানুষ হয় বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন জীব (আবর্তনীয়) .:  (A) সকল বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন জীব হয় মানুষ (আবর্ত)

৩৪) "সকল মানুষ হয় অ - পূর্ণ জীব" --- বচনটির বিবর্তিত বচন কী?
উঃ L.F. : 
    (A)  সকল মানুষ হয় অ - পূর্ণ জীব ( বিবর্তনীয়)
.:  (E) কোনো মানুষ নয় পূর্ণ জীব (বিবর্ত)

৩৫) বিবর্তনের বৈধতার গুন সংক্রান্ত নিয়মটি কী?
উঃ আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের গুন ভিন্ন হবে। অর্থাৎ আশ্রয়বাক্য সদর্থক হলে সিদ্ধান্ত নঞর্থক হবে এবং আশ্রয় বাক্য নঞর্থক হলে সিদ্ধান্ত সদর্থক হবে।

৩৬) বিবর্তনের চতুর্থ নিয়মটি কী?
উঃ আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের পরিমাণ অভিন্ন হবে।

৩৭) A বচনের বিবর্তিত বচন কী হবে?
উঃ E বচন।

৩৮) E বচনের বিবর্তিত বচন কী হবে?
উঃ A বচন।

৩৯) I বচনের বিবর্তিত বচন কী হবে?
উঃ O বচন।

৪০) O বচনের বিবর্তিত বচন কী হবে?
উঃ I বচন।

Other Post